খাজা খানজাহান আলী (রহ:) দীঘির হিংস্র কুমির ফেরত পেতে একটি চক্র উঠে পড়ে লেগেছে। এদের কাছে মানুষের জীবনের চেয়ে নিজেদের পকেট ভারী মুখ্য বিষয়।
জানাগেছে খাজা খানজাহান আলী (রহ:) আমলের ২ টি কুমির কালা ও ধলা পাহাড় মারা যায় দেড় যুগ আগে। বন্ধ হয় মাজার সংশ্লিষ্ট খাদেমদের। তাঁরা প্রশাসনের ভুল ভাল বুঝিয়ে ভারত থেকে কুমির এনে ছাড়ে দীঘিতে। শুরুতেই কুমির ছিল হিংস্র। আস পাশের বসতি এলাকায় যেয়ে গবাদি পশুর ক্ষতি সাধন শুরু করে। প্রশাসন একটি কুমির সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। কথিত ধলা পাহাড় একটু শান্ত স্বভাবের হওয়ায় রেখে দেওয়া হয় দীঘিতে। ২০০৯ সালের দিকে কুমির একটি ছেলেকে টেনে নিয়ে যায়। মাজারের খাদেমরা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সক্ষম হয়। সম্প্রতি একটি কুকুর কান্ডে সারা দেশে হৈচৈ শুরু হয়। কল্প কাহিনী দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়। যার রেশ কাটতে না কাটতেই কুমির টেনে নেয় ফাতেমা নামের এক শিশুকে।
এবার প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। জনগণের দাবিকে সন্মান দেখিয়ে সরিয়ে নেয় সর্বশেষ কুমির কথিত ধলা পাহাড়।
ইতিমধ্যে মাদারের অবৈধ আয় কমে গেছে। কুমিরের জন্য নেই সরকারী বরাদ্দ, সাধারণ মানুষ বন্ধ করেছে মানতের খাশি ছাগল, মুরগি দেওয়া। ৭২ ঘন্টায় বুঝতে পেরেছে তাদের অবৈধ আয় বন্ধ। নিজেদের পকেট ভারী করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে তারা।
তথ্য অনুসন্ধানকালে জানাগেছে কুমির দেখভালের দায়িত্বে থাকা মেহেদী হাসান টাকায় কিনেছে কিছু সাংঘাতিক, চালু করেছে ভুয়া ফেসবুক ইউটিউব চ্যানেল। মাজারের কথিত খাদেমরাতো আছেই।
এদের মাধ্যমে পুনঃ কুমির ফেরত আনতে সরকার ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে
নেটিজেনদের ভাষায় কুমির ফেরত দেওয়ার আগে দুই অবুঝ শিশুর মৃত্যুর জন্য কথিত খাদেমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
ওদের পকেট ভারীর চেয়ে মানুষের জীবনের মুল্য অনেক বেশি। সরকার ও প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকুক এটাই সকলের প্রত্যাশা।