জুনের শুরুতেই পতন হয় বাংলাদেশের ইতিহাসের ঠান্ডা মাথার খুনী তোফায়েল আহমেদের। ১ জুন ধানমন্ডির ৩২ প্রথম জানাজায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দেশের অবস্থানরত নেতারা অংশ নিয়ে জয় বাংলা শ্লোগান দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে বেগ পেতে হয়েছে।
২ জুন ছিল ভোলায় দ্বিতীয় জানাজা। ভোলায় জানাজা হবে না শ্লোগানে যুবদল ও ছাত্রদল ছিল সরব। জামায়াত শিবির মাঠে না নামায় বিএনপি যুবদল ও ছাত্রদলকে বুঝিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে এই তোফায়েল আহমেদ ছিল রক্ষিবাহীনির সদস্য। তবে শেখ মুজিবুর রহমানের খুনের পিছনে তার হাত ছিল।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হত্যার পিছনের কুশিলব সে। শিবির নেতা মালেকের খুনি সে। দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তার পরামর্শে জেলে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে তার কথা মত আওয়ামী লীগ বেগম জিয়াকে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।
ফ্যাসিস্টদের আমলে একটি মিমাংশীত বিষয়ের অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে বিএনপি জামায়াত নেতাদের ফাঁসির ব্যবস্থায় তার ভুমিকা সব থেকে বেশি। শেখ হাসিনা দেশের জনগণের উপর যত অত্যাচার হয়েছে হয়েছে খুন গুম সবকিছুর জন্য দায়ী এই কু*লা*ঙ্গা*র।
সাধারণ মানুষ এর বিরোধিতা করবে এটাই স্বাভাবিক। ভোলার যুবদল ও ছাত্রদলের ভূমিকা ছিল সময় উপযোগী। জামায়াত শিবিরের নিরবতা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিএনপি বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে যুবদল ও ছাত্রদলকে কর্মসূচি থেকে সরে যেতে সক্ষম হয়েছে। তার পর হয়েছে নির্বিঘ্নে জানাজা। যা কাম্য ছিল না। হয়েছে জয় বাংলা শ্লোগান। জামায়াত শিবিরের ভুমিকা মানতে নারাজ নেটিজেনরা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও আওয়ামী লীগ প্রতিহতে সকলের এক থাকা দরকার। মাথায় রাখতে হবে হাসিনার মসনদ ফিরিয়ে দিতে শুভেন্দু ও তার এজেন্টরা বসে নেই।