সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব ও ফারাজী মতিয়ার রহমান। তবে নানান জটিলতার কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব হোসেনের মনোনয়ন বাতিল করায় পুরো নির্বাচনী এলাকায় তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।
মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন টিএস আইয়ুব হোসেন। এখন প্রশ্ন আপিলে কি তিনি তার মনোনয়ন ফিরে পাবেন?
এই একটি প্রশ্ন ঘিরেই যশোর–০৪ এলাকার চায়ের দোকান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত থেকে শুরু করে হাটবাজার পর্যন্ত সর্বত্র চলছে আলোচনা, যুক্তি-তর্ক ও নানা সমালোচনা।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশের মতে, দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব হোসেনের ত্যাগ কি শেষ পর্যন্ত বিফলে যাবে? তাদের ধারণা, দীর্ঘদিন ধরে দল ও এলাকার জন্য কাজ করা একজন নেতাকে দল কি শেষ মুহূর্তে ‘সেফট’ দেবে না এমন প্রশ্নও উঠছে জোরালোভাবে।
নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, যশোর–০৪ আসনটি মূলত ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব হোসেনের সাংগঠনিক ভিত্তির ওপর গড়ে উঠেছে। তাদের বক্তব্য,
এই আসনে আইয়ুব হোসেন ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী মাঠে নামলে দল চরম ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। অনেকের ভাষায়, আইয়ুব বাদে যেই প্রার্থীই আসুক, এই আসনটি হাত ছাড়া হবে, প্রতিদ্বন্দ্বী দল সহজেই হাসতে খেলতে জয় ছিনিয়ে নেবে।
অন্যদিকে ফারাজী মতিয়ার রহমানের নামও আলোচনায় থাকলেও মাঠপর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
ফলে দলীয় সিদ্ধান্ত যেদিকেই যাক না কেন, যশোর–০৪ আসনে ধানের শীষের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে, এই মনোনয়ন জটিলতার দ্রুত ও গ্রহণযোগ্য নিষ্পত্তির ওপর।
এখন সবার চোখ আপিলের রায়ের দিকে। সেই রায়ই ঠিক করে দেবে,কে হচ্ছেন যশোর–০৪ আসনের ধানের শীষের প্রকৃত প্রার্থী ।