মাশরাফি বিন মর্তুজা। একসময় দেশের সাধারণ ক্রিকেট প্রেমীদের মাথার মুকুট ছিল। নিজ স্বার্থে কোটি মানুষের মন ভেঙ্গে হয়ে গেলেন রাতের ভোটের এমপি। মানুষ ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করলো তাকে। তুমি আমি ডামি নির্বাচনের পর বনে গেলেন হুইপ। বেশি দিন পার করতে পারলেন না। জুলাই বিপ্লবে তাঁর ভূমিকা ছিল ফ্যাসিবাদের পক্ষে। জুলাই যোদ্ধাদের বিজয়ী হলে তাঁর বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। তাকে ছাড়তে হয় নিজের জন্ম স্থান নড়াইল। এতদিন যারা ফ্যাসিবাদের পুনঃ প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব বেয়াদব সাকিবাল হাসানকে টার্গেট করে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছিল। হাজার চেষ্টা করেও তাকে খাওয়াতে পারেনি। সম্পুর্ন ব্যর্থ হবার পর নতুন প্রজেক্ট মাশরাফি বিন মর্তুজাকে নিয়ে মাঠে নেমেছে। ছেড়েছে নতুন ডাইলগ বাবা মরে গেলে আমার লাশ নড়াইল নিওনা বলে মাঠে সক্রিয়। নতুন ডায়লগ মানুষ ইতিমধ্যে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। সাথে সাথে একটা উপদেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রিতিমত ভাইরাল,
আপনাদেরকে কিছু বলার নেই। উপরের দিকে উঠতে হঠাৎ গোত্রা দিয়ে নীচে নেমে গেলেন। সাধারণ জনগণকে বিপদে ফেলে দিয়েছেন বস। এরা আপনাকে অসম্মানও করতে পারতেছেনা আবার সম্মানও করতে পারতেছেনা।
দয়াকরে আপনার সহ খেলোয়ারদেরকে বলে দিয়েন তারা যেন ভূলেও কখনো রাজনীতির মারপ্যাঁচের মধ্যে না পরে। বিশেষ করে তামিম ইকবাল। ইতিমধ্যে মাইরের খাতায় নাম লেখাইয়া ফেলছে।
খেলোয়াড়রা মানুষ, তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকবে স্বাভাবিক। তবে কোন দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন তাদের উচিৎ নয়। নেটিজেনরা সাকিব, মর্তুজা থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবন গড়ার সুপারিশ করেছেন। এ ব্যাপারে তাঁরা খেলোয়াড়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।