চাঁদাবাজী বাংলাদেশের জন্য কোন বিষয় না। দেশ স্বাধীনের পর থেকে যা শুরু হয়েছে আর থামেনি। তবে হাত বদল হয়েছে। বর্তমান যা মহামারী আকার ধারণ করেছে। থামবে কিনা তা অজানা।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে বর্তমান দেশে প্রতিদিন কমপক্ষে ১ শত কোটি টাকার চাঁদাবাজি হয়। এটা শুধু পরিবহন খাতের হিসাবে। সুত্রের দাবি এ সেক্টরে প্রতিদিন বাস ৬৪ লাখ, সিএনজি ২৭ লাখ, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ঢাকার ভিতরে ১৫ এবং বাইরে ৪০ মোট ৫৫ কোটি টাকা, ট্রাক ৪০ কোটি, দূর পাল্লার বাস ৩ কোটি, টেম্পু+লেগুনা ৬৪ লাখ টাকা চাঁদা আদায় হয়। শুধু এ খাত থেকে চাঁদা বন্ধ হয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমবে। জীবন যাত্রার ব্যায় কমবে। উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ। চাঁদাবাজ টাকার ভাগ আমলা রাজনৈতিক দলের নেতাদের পকেট পর্যন্ত যাওয়ায় বন্ধ হবে না নিশ্চিত। বর্তমান সরকার নয় সরকার প্রধানের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক। বর্তমান সরকার প্রধানের শরীরে বহমান শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার রক্ত। এ জন্য এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জনগণ