আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮৯ যশোর ৫ মনিরামপুর আসনে বিএনপি ঘরানার ২ প্রার্থীর মধ্যে সতন্ত্র প্রার্থী এম ইকবাল হোসেন কলস প্রতীক নিয়ে এগিয়ে রয়েছ। এক যুগের বেশি সময় ধরে এম ইকবাল হোসেন মনিরামপুর থানা বিএনপির সভাপতি। মনিরামপুর বিএনপির আজকের অবস্থানে তার অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর হাত ধরেই বিগত দিনে বর্তমান ধানের শীষের প্রার্থীর পিতা মরহুম মুফতি ওয়াক্কাস একাধিক বার এ আসনে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। মুফতি ওয়াক্কাসের মৃত্যুর পর বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা আশায় ছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির কাওকে মনোনয়ন দিবে। দ্বিতীয় ধাপে নেতাকর্মীদের মনের আশা পূরণ হয়। বিগত সরকারের আমলে অর্ধশত মামলার আসামি একাধিক বার কারা বরণকারী এম ইকবাল হোসেনকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। ঘোষণার পর নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে পড়ে। অল্প দিনেই পুলিশ বেড়ি পরানো এই নেতার দলীয় মনোনয়ন বাতিল হয়। মনোনয়ন দেওয়া হয় জোট সঙ্গী নিবন্ধনহীন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রশিদ আহমদকে। স্থানীয় বিএনপি বড় অংশ এই মনোনয়ন মেনে নিতে পারেনি। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এম ইকবালকে নির্বাচনে বাধা করে। বর্তমান এম ইকবাল মুল প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু রশিদ আহমেদের পক্ষে থাকায় জামানত হারানোর লজ্জা থেকে বাঁচলেও ৫ প্রার্থীর মধ্যে তার অবস্থান তৃতীয়।
মনিরামপুর আসন বরাবরই সতন্ত্র প্রার্থীদের বিজয়ী রেকর্ড আছে। এম ইকবাল হোসেনের পক্ষীদের ভাষায় বিএনপি বৃহত্তর অংশ ও ভাসমান ভোটে বিজয়ী এম ইকবাল হোসেন।