আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৮৯ যশোর ৫ মনিরামপুর আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী মাঠে। বিদ্রোহী প্রার্থী এম ইকবাল হোসেনকে প্রথমে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা পরিবর্তন করা হয় কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে এম ইকবাল হোসেন জোরেসোরে নির্বাচনী মাঠে নামেন কোমরবেঁধে। বিএনপির থানা সভাপতি হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে তিনি মাঠ গোছানো শুরু করেন। মাঠ গোছানো শেষ পর্যায়ে হঠাৎ তার মনোনয়ন স্থগিত করা হয় কেন্দ্র থেকে। দলীয় মনোনয়ন স্থগিত হলেও তিনি হাল ছাড়েননি। সতন্ত্র হিসেবে রয়েছেন মাঠে। কলস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূল বিএনপি নেতা/ কর্মীদের একটি বড় অংশ রয়েছে তার সাথে।
অন্য দিকে রশিদ আহমদ সরাসরি বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত না। তার পিতা মরহুম মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের হাতে গড়া নিবন্ধনহীন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। এ আসনে তার রিজার্ভ ভোট ব্যাংক নেই বললেই চলে। নিজের অবস্থান তৈরিতে তিনি হয়েছেন ধানের শীষের কান্ডারি। নিজের ভোট ব্যাংক নেই, অন্য দিকে তৃণমূল বিএনপির বৃহত্তর অংশ তাকে মেনে নিতে পারছে না। বিদ্রোহী প্রার্থী কাছে ধানের শীষের প্রার্থী রশিদ আহমদ রয়েছে ব্যাকফুটে।
শুরুতেই সতন্ত্র প্রার্থী এম ইকবাল হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী গাজী এনামুল হক রয়েছেন এ আসনের মুল প্রতিদ্বন্দ্বী। এখনো রশিদ আহমদ রয়েছে ৩ নং স্থানে। এম ইকবাল যদি মনোনয়ন প্রত্যাহার না করে নির্বাচন চালিয়ে যায় তাহলে রশিদ আহমদকে ব্যাকফুটে থাকতে হবে।
নির্বাচন শেষ বলতে কিছুই নেই। দেখার বিষয় এম ইকবাল হোসেনের সিদ্ধান্ত। এম ইকবাল হোসেনের সিদ্ধান্ত ধানের শীষের অবস্থান নির্ধারিত হবে এ আসনে।এম ইকবাল হোসেন বর্তমান এ আসনে আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছে।