সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী সারা দেশে শুরু মাদক বিরোধী অভিযান। যশোরের মনিরামপুর নেই ছিটে ফোটা। অভিযানের পরিবর্তে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবিদের সাথে নিয়ে ঘুরে পুলিশ। ইতিপূর্বে ডিবি মাঝে মাঝে অভিযান চালালেও বর্তমান লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
তথ্য অনুসন্ধান কালে জানাগেছে মনিরামপুর উপজেলার পৌর সভা সহ ১৭ ইউনিয়নের সর্বত্র মাদকের ছড়াছড়ি।
সর্বাঙ্গে ব্যাথা ঔষুধ লাগাবো কোথা। মনিরামপুরে এমন কোন গ্রাম নেই যেখানে মাদক নেই।
বিশেষ করে নেহালপুর ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকায় প্রবনতা বেশি। এখানকার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের রয়েছে দহরম মহররম সম্পর্ক। ফাঁড়ি থেকে মাসোহারা নিয়ে কেনা বেচার অপেন লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা। ফলে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। প্রতিবাদ করলে হয়রানির শিকার হতে হয় প্রতিবাদ কারীদের। পুলিশ পক্ষ নেয় মাদকের সাথে জড়িতদের।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে বাংলাদেশের আইনে মাদক ব্যবসায়ীদের বেলায় আইন কঠোর হলেও সেবনকারীদের বেলায় আইন শিথিল। পুলিশ আটককৃত ব্যাবসায়ীদের আদালতে দেওয়া হয় সেবন কারী হিসেবে। ফলে মামলা থেকে সহজেই অব্যহতি পায়। বের হয়ে শুরু করে ব্যাবসা।
মনিরামপুর দিন দিন বাড়ছে মাদকের থাবা। যুব সমাজ হচ্ছে ধ্বংস। যুব সমাজ রক্ষায় মনিরামপুরকে মাদক মুক্ত করার বিকল্প নেই। অবস্থা দৃষ্টিতে মনে হয় এখানে সরকারি আইনকে প্রশাসন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে।