ভিডিওতে দেখা গেছে আয়াস নামের এক জুলাই যোদ্ধা ফারজানা শামান্তার কানের নিচে মাত্র একটা ঠাস দিয়েছে তাতেই মাথা ঘুরে পড়েছে সিঁড়ির উপর। একটি থাপ্পর প্রশংসায় ভাসছে। কমেন্টে আরো কিছু দেওয়া উচিত ছিল বলে বলা হচ্ছে। অনেকেই নিজের হাতে দেওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন।
সচেতন মহল জুলাইকে নিয়ে বাজে মন্তব্যে পাওনা বুঝিয়ে দিয়েছে আয়াস নামের এই জুলাই যোদ্ধা।
সুত্রের দাবি ভাষায় তাঁর এই পাওনাটা আরো আগে দিলে ভালো হতো। বাংলাদেশের কোথাও এই ফারজানা শান্তাকে স্পেস দেওয়া যাবে না। পতিত ফ্যাসিস্টদের দালাল ও ভারতের "রং* এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।এবং মিডিয়া ফোকাস নিচ্ছেন। দুঃখের বিষয় হলো সে এখনো বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। থাকার কথা ছিল ১৪ ছিকের ভিতরে। তার বিরুদ্ধে একটা মামলা পর্যন্ত হয়নি।
ফারজানা শান্তা প্রথম থেকেই জুলাই যোদ্ধা শহীদ ও*স*মান হাদি ও জুলাই শহীদ আবু সা*ঈ*দকে জ* ঙ্গি বানানোর চেষ্টায় তৎপর। এছাড়াও সে প্রকাশ্যে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষে সাফাই গেয়ে মিডিয়া কাপাচ্ছেন। কথাবার্তায় সে যে ভারতের "র* এজেন্ট তা বুঝতে বাকি থাকার কথা না।
অনেকেই একজন মহিলার গায়ে হাত তোলা নিয়ে নিন্দা জানাচ্ছে। এখানে যে নিন্দা জানাতে আসবে তার পাওনাটাও বুঝিয়ে দেওয়া হবে সময়ের সাহসী উদ্দ্যোগ। ফ্যাসিবাদী শক্তি যে রূপেই আসুক তাকে ছাড় দেওয়া যাবেনা।
এই মহিলার গায়ে হাত দেওয়ার জন্য জুলাই যোদ্ধা সাহসী বীর আয়াসকে গণভোটে হ্যাঁ পক্ষের মানুষ অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছে। সাথে সাথে নিষিদ্ধ পল্লীর সভ্য মিতুকে আইনের আওতায় এনে ডিম থেরাপি দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে।