ভিপি সাদিক কায়েমকে পেয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির জনসাধারণ উচ্ছ্বসিত। জনসাধারণ ভিপি সাদিককে নিয়ে যে এতো বেশি উচ্ছ্বাসে আছে আজ তা প্রমাণ হয়ে গেছে। জামায়াত সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন দিয়েছে। জামায়াতের এই সিদ্ধান্তে দক্ষিণ সিটির জনসাধারণ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। সাধারণ মানুষের মতামতের মধ্যে ভিপি সাদিককে জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো।
জনগণ জামায়াতের সিদ্ধান্তকে সময় উপযোগী হিসেবে দেখছে। ডাকসুতে সাদিক কাইয়ুমের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ঢাকা দক্ষিণ সিটির সর্বস্তরের জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০ ভাগ বিরোধিতা পরও সে সফল। তাই দক্ষিণ সিটির মানুষ তাকে চায়। নগরের জনদুর্ভোগ লাঘবে সাদিক কায়েমের প্রয়োজন।
মতামতে উঠে এসেছে নতুন চিত্র। সাদিক কায়েম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি পদে অসামান্য সফলতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে সর্বোচ্চ ওয়েলফেয়ার কাজ করেছে। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হয়েও ১০৫ বছরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যা করতে পারেনি, সাদিক কায়েম তারচেয়েও বেশি করেছে। দক্ষিণ সিটির সর্বসাধারণের কাছে এ জন্য তিনি প্রশংসায় ভাসছেন।
সাদিক কায়েম অলরেডি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষিত। সিটিতে জণগন ইয়ং জেনারেশন দেখতে চায়। জামায়াত তাকে নমিনেশন দিয়েছে। জনগণ এটা পজিটিভলি দেখছে। সাদিক কায়েম ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে বিশ্বের উন্নত নগরীর আদলে গড়ে তুলবে এমনটা বিশ্বাস করে সিংহ ভাগ ভোটার। যারা তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে। ডাকসুতে যেভাবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতেও ইতিহাস করবে বিশ্বাস তাদের।
যেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে সেখানে সবার মধ্যেই পজিটিভ মনোভাব পাওয়া গেছে। হাই লেভেলের কনফিডেন্স দেখাচ্ছে। সাদিক কাইয়ুমকে পেয়ে সিটির জনসাধারণের বেশ উৎফুল্ল। ভিপি সাদিক কাইয়ুমের কোয়ালিটি নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির জনসাধারণ অতি উচ্ছ্বাসিত। তারা ভিপি সাদিককে মেয়র বানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা রয়েছে। ভিপি সাদিক কাইয়ুমের মত কোয়ালিটি সম্পন্ন তরুণ নেতা দেশের ইতিহাসে অতিতে ছিল কিনা তা অজানা। সচেতন মহলের ভাষায় সাদিক কাইয়ুম বর্তমান বাংলাদেশে অন পিচ। যার বিকল্প নেই।