জামায়াত এনসিপি সহ ১১ দল পাওয়ার পলিটিক্স শুরু করেছে। গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেই ছাড়বে তাঁরা। সংস্কারের আগে থামবে না জোট। সংস্কারই জোটের মুল লক্ষ্য। 

গণভোট ও জুলাই সনদ থেকে সরে আসার জন্য সরকার জোটকে মেগা মেগা অফার দিয়েছে। শুধু সংস্কারের ইস্যু থেকে সরে আসতে হবে। জোট সরাসরি না বলে দিয়েছে। বর্তমান সরকার জোটকে বিভিন্ন ইস্যুতে ব্যস্ত রাখতে চেষ্টা করছে। জুলাই সনদ থেকে অপ্রাসঙ্গিক করার অপচেষ্টা করছে সরকার। জামায়াত এনসিপি জোট এখানে আপোষহীন। যতই নতুন নতুন ইস্যু সামনে দিক জামায়াত এনসিপি জোট গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে ছাড়বেই। 

ইউনুস সরকারের একজন উপদেষ্টার ভাষায় ভোটের ফলাফল ইঞ্জিনিয়ার করে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং করে জামায়াতের বিজয়ী আসনগুলো বাগিয়ে বিএনপি কে উপহার দিয়েছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। ক্ষমতায় এসে বিএনপি ৫ মাসেই দেশ চালাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি- সর্বোপরি জনগণের চাহিদা পূরণে বিএনপি পুরাপুরি ব্যর্থ। বিশ্বে যখন তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমেছে, বিএনপি সরকার তখন জনবিধ্বংসী বাজেটের টাকা উঠানোর জন্য তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে। গতমাসে যে দামে বিদ্যুৎ কিনেছি, এইমাসে তার ডাবল দামে বিদ্যুৎ কিনতে হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট প্রকট। সমগ্র দেশ জুড়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। 

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপি সরকার কতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে দ্রুততম সময়ে তা স্পষ্ট হবে। আর এই সংকটের ভিতরে ১১ দলীয় জোট যথাযথ চাপ দিতে সক্ষম হলে সরকার গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে বাধ্য হবে। জুলাই মাসে ১১ দলীয় জোট গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জনসমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়েছে। এখান দরকার পাওয়ার পলিটিক্সের। ইতিমধ্যে সুরু হয়েছে। বাকি সময় মতো একটি ধাক্কা। ফলাফল সামনেই।