আদ-দ্বীন হাসপাতাল গরীবের হাসপাতাল, সিন্ডিকেটের বাইরে গিয়ে সস্তায় চিকিৎসা দেয়াই এদের বড় অপরাধ। এদিকে সিন্ডিকেট থেকে সরকারি দলের নেতারা উপকৃত হয়, এখানে সিন্ডিকেট যা চেয়েছে তাই হয়েছে বলে ধারণা সচেতন মহলের। অথচ অনেক সরকারী বেসরকারী হাসপাতালের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকলেও চোখে পড়ে না উদ্ধতন মহলের। ইতিপূর্বে যে সকল হাসপাতালে ভয়াবহ অবস্থায় রুগী মারা গেলেও নেই কোন পদক্ষেপ। যাদের মধ্যে:-

১ / রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল  /
আইসিইউ শয্যার অপেক্ষায় এক মাসে ৯১ শিশুর মৃত্যু /
২ / রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল  /
হাম/হামসদৃশ উপসর্গে তিন মাসে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু /
৩ / ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল /
হামসদৃশ উপসর্গে ভর্তি শিশুদের মধ্যে ১২ শিশুর মৃত্যু /
৪/ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল /
হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ২০ শিশুর মৃত্যু /
৫ / ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল / হাম সম্পর্কিত জটিলতায় ১৫ শিশুর মৃত্যু /
৬ / সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল মহাখালী / হাম সম্পর্কিত জটিলতায় ১০–২৬ শিশুর মৃত্যু /
৭ / সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল /
 হামে/হামসদৃশ উপসর্গে অঞ্চলে ১০ শিশুর মৃত্যু /
৮ / কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল/
হামসদৃশ উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু / 
৯ / চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল /
হামে আক্রান্ত শিশু ভর্তি ও চিকিৎসাধীন মৃত্যু সংখ্যা অনিশ্চত / 
১০/ যশোর সদর হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন কর্মীকে ঘুস না দেওয়ায় গ্যাস খুলে দেওয়ায় শিশুর মৃত্যু।

দেশব্যাপী বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল  হাম প্রাদুর্ভাবে কয়েক মাসে ৬০০+ শিশুর মৃত্যু / স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী।
চুলকানীটা শুধু আদ দ্বীন হাসপাতালের জন্য উঠলো কেন ? আদ্বীন হাসপাতাল গরীবের বন্ধু হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কি এই পদক্ষেপ জাতী জানতে চায়।