ফ্যা সি স্ট জননী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা (আইনজীবীর মাধ্যমে) জাতিসংঘের কাছে চিঠি দিয়েছেন- তার দাবি তিনি ১৪০০ মানুষকে মা/রে/ন/নি, মে/রে/ছে/ন ৮৫০ জনকে? যাক আপা কি তাহলে হ/ত্যা/কা/ণ্ডের কথা স্বীকার করলেন?

শেখ হাসিনার আইনি দল জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ে (ওএইচসিএইচআর) একটি চিঠি দিয়ে দাবি করেছে, জুলাই-আগস্টে ১৪ শত জনের মৃত্যুর তথ্য সঠিক নয়। তারা এই তথ্য প্রত্যাহার বা সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছেন।

চিঠিতে তারা যুক্তি দেখিয়েছেন- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিজস্ব নথি অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা প্রায় ৮৫০ জন (৮৩৪ জন) এবং ছাত্র আন্দোলনের নিজস্ব হিসাব মতে তা প্রায় ৬৫০! মূলত জাতিসংঘের প্রতিবেদনটিতে দেওয়া ১৪ শত জনের মৃত্যুর সংখ্যাটিকে চ্যালেঞ্জ করতেই তারা এই চিঠি পাঠিয়েছেন।
তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, শেখ হাসিনা বা তাঁর আইনজীবীরা নিহতের এই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক তুললেও, জুলাই-আগস্টের ওই দিনগুলোতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যে নির্বিচার বলপ্রয়োগ হয়েছিল, জাতিসংঘের সেই মূল অনুসন্ধানের সত্যতাকে তারা সরাসরি অস্বীকার করতে পারেননি।
এজন্যই  অনেকেই বলছেন- যাক আপা হ/ত্যা/কা/ণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছেন! 
ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি শুক্রবার লিখেছে, শেখ হাসিনাকে আইনি পরামর্শদাতা লন্ডনের ‘ডাউটি স্ট্রিট চেম্বার্স’-এর স্টিভেন পাওলস কেসি বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার ফলকার টুর্ককে একটি চিঠি দিয়েছেন। 
জুলাই আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ‘পরিসংখ্যানগত ভুল’ রয়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে প্রত্যাহারেরও দাবি তোলা হয়েছে সে চিঠিতে।
এনডিটিভির খবরে বলা হয়, তাদের হাতে আসা ওই চিঠিতে পাওলস কেসি লিখেছেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিজস্ব ‘অফিশিয়াল রেকর্ডের’ ওপর ভিত্তি করে এটি এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টের’ ১৪০০ জন আন্দোলনকারী নিহত হওয়ার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল। মূলত শেখ হাসিনার সরকারকে সহিংসভাবে উৎখাতের বিষয়টিকে বৈধতা দিতে অন্তর্বর্তী সরকারই মিথ্যা ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়েছিল।”
পাওলস কেসির চিঠিতে ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত ‘অফিশিয়াল গেজেট’-এর কথা উল্লেখ করে বলা হয়, সেখানে নিহতের সংখ্যা ৮৩৪ জন তালিকাভুক্ত করা হয়েছে; যা জাতিসংঘের দেওয়া সংখ্যার প্রায় অর্ধেক। এমনকি এই সংখ্যাটিও ‘বাড়িয়ে’ বলা হয়ে থাকতে পারে।
জুলাই গণহত্যার বিষয়ে মুখ খুলে গণহত্যার কথা স্বীকার করে নিল আওয়ামী লীগ।