দেশে দিন দিন ধ*র্ষ*ন প্রবনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণ আতংকিত। বিশেষ করে শিশু ধ*র্ষ*ণের ঘটনা অতিতের যে কোন সময়ের চেয়ে শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ধ*র্ষ*ন ঘটনায় প্রচালিত আইনে আস্থা নেই সাধারণ মানুষের। সাধারণ মানুষ চায় ধ*র্ষ*ককে প্রকাশ্যে মৃত্যু দন্ড। নতুন আইন প্রণয়নে জনগণ রাস্তায়, সভা সমাবেশ, র‍্যালি, মিছিল, থানা ঘেরাও সহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে।
জনগণের জন্য আইন করায় সমস্যা থাকার কথা না, অথচ জনগণকে দেখানো হচ্ছে ৭২ রের সংবিধান। যে সংবিধান ২৪ সের আগষ্টে ছাত্র জনতা ছুড়ে ফেলে দিয়ে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করেছে দেশ। সময় এসেছে সংবিধান সংশোধন।
সংবিধান সংশোধনে জনগণের আস্থা ৬ সাংসদের উপর। সংসদের বাইরে যেমন আন্দোলন শুরু হয়েছে ঠিক তেমনি শুরু হোক সংসদের ভিতরে।
পটুয়াখালী ২ ডঃ শফিকুল ইসলাম মাসুদ, কুমিল্লা ৪ হাসনাত আব্দুল্লাহ, কুষ্টিয়া ৩ মুফতি আমির হামজা, মাদারিপুর ১ সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, লক্ষ্মীপুরের ৪ মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন মিজান। জনগণের আস্থার প্রতীক ৬ সাংসদ আন্তরিক হলে সংসদের বাইরের মতো ভিতরে আলোচনায় থাকবে সংশোধন।
এই ৬ সাংসদ জনগণের সাথে থাকবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।
বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনগণের পক্ষে আছে বলে জনগণ বিশ্বাস করে। ৬ সাংসদ জনগণের পক্ষে কথা বললে সংশোধন হবে প্রচলিত আইন। সংযোজিত হবে ধ*র্ষ*কের প্রকাশ্যে মৃত্যু দন্ড। বিশ্বাস জনতার।