এই দেশের কিছু মানুষ বিজয় থালাপতির বিজয়ে এমনভাবে উচ্ছ্বসিত হয়েছিল, যেন গরিবের এরদোয়ান জয়ী হয়ে গেছে! অথচ বাস্তবতা হলো—রসুনের গোড়া কিন্তু সব এক জায়গাতেই থাকে। যেটাকে বলা হয়, আল-কুফরু মিল্লাতুন ওয়াহিদাহ। এই বিজয় থালাপতিই তার বিস্ট মুভিতে মুসলিমদের টেরোরিস্ট হিসেবে উপস্থাপন করেছিল। যে মুভির বিরুদ্ধে বহু মুসলিম দেশে প্রতিবাদ হয়েছিল, কোথাও কোথাও প্রদর্শনীও বন্ধ করা হয়েছিল।

অনেকে ভাষায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তো এমন ভিডিও দেখা গেছে—কোথাও বিজয় মুসলিমদের সাথে ইফতার করছেন, কোথাও আবার নামাজ পড়ছেন। বাস্তবে এই বিষয়গুলো বুঝা বেশি সহজ। এগুলো মূলত সবই ছিল সিম্প্যাথি অর্জন, রাজনৈতিক ইমেজ তৈরি এবং মুসলিমদের ভোট নেওয়ার কৌশলেরই অংশ।

আমাদের দেশেও তো নির্বাচনের আগে টুপি পরা, গোমটা দেওয়া কিংবা ধর্মীয় আবহ তৈরির নাটকগুলো হয়, এইগুলা দেখলে আরো বেশি বুঝা সহজ। তাছাড়া বিজয় কিন্তু একজন অ্যাক্টর। ভালো অ্যাক্টিং করতে পারে। সারা বছরের সেই অভিজ্ঞতাই নির্বাচনের আগে কাজে লাগিয়েছে।