যশোরের কেশবপুর উপজেলার ‘চাঁদা সম্রাট’ নুরুজ্জামান চৌধুরী হলেন আলিয়া মাদ্রাসার গভর্নিংত বডির সদস্য।
৭ মে ২০২৬ ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ফাহাদ আহমেদ মোমতাজীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। চিঠিটি কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পূর্বের গভর্নিং বডির সভাপতি ও কেশবপুর আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল মো. বোরহান উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল করে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও বিএনপি নেতা জুলুমাত আলীকে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গভর্নিং বডির সদস্য মো. শহিদুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করে তার স্থলে মো. নুরুজ্জামান চৌধুরীকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুরুজ্জামান চৌধুরী কেশবপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং সম্প্রতি চাঁদাবাজির অভিযোগে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত রয়েছে। একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে একটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিতে অন্তর্ভুক্ত করায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এ সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।