কিন্তু যেহেতু মিডিয়াতে অপরাধীদের দলিয়ো পরিচয় সামনে আসছে তাহলে সঠিকটাই আসুক।
অপরাধীদের একজন হলো এবাদুল্লাহ। সে সরাসরি ধর্ষণে জরিত। সে একজন জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। সে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী জনাব ইব্রাহিম সাহেব এর পোলিং এজেন্ট ছিলো৷ আজ ওই এম্পি প্রার্থী ভিকটিম মেয়েটির বাবাকে ৫ হাজার টাকাও দিয়েছে গণমাধ্যমের সামনে।
আরেকজন হলো স্থানীয় সাবেক মেম্বার আহাম্মদ আলী দেওয়ান। সে হলো ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি। উল্লেখ্য যে এই আহাম্মদ আলী দেওয়ান ২০১৮ সালে আওয়ামীলীগেও যোগ দিয়ে ছিলো। পরে ২০২৫ সালে আবার ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি হয়।
পুনশ্চঃ অপরাধীদের আসল পরিচয় সে অপরাধী। তাই কোন ভাবেই যেন সমঝোতার বিচার না হয়। দৃষ্টান্তমূলক বিচার দেখতে চায় দেশবাসী। দল মতের উর্ধ্বে উঠে অবশ্যই এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।